Email: astro@kylvisit.com
Banner

(DD - MM - YYYY)জন্ম তারিখে ভাগ্য ফল
  • Post Your Advertisement at kylvisit.com
  • design develop host website at IBiswas

 

ওঁ জগদীশ্বর পরম্ব্রম্যায় নমোঃ

ভগবান-এই পৃথীবিতে সর্ব্বশেষ্ঠ জীব মানব রূপে আমাদেরকেই এই পৃথিবীর বুকে জন্ম দিয়েছেন, কিন্তু আমাদেরকে সর্ব্বশেষ্ঠ জীব রূপে জন্ম দিলেও এই জীবনের পরমায়ুর সুদীর্ঘ কাল অবলম্বন করার রাস্তায় নানা রকম সুখ শান্তি দূঃখ কষ্ট ও বাধা বিঘ্ন ভোগ করিতে হয়। এর জন্য ভগবান এই সংসারে কর্ম দিয়েছেন, এবং আমরা সেই কর্ম নিয়ে ব্যাস্ত থাকি। তবে ভগবান গ্রহ দেবতা দ্বারা আমাদের কর্ম অনুযায়ী প্রত্যেক জীবকেই কর্ম ফল প্রদান করেন। গত হওয়া পূর্ব জন্মের বংশগত দোষ, বা পিতৃ দোষ,এবং নিজের কর্মফল ও জন্ম লগ্নের নক্ষত্র ফলা ফলকেই ভাগ্যফলবলা হয়।এ সব কিছুই বৃহত জ্যোতিষ শাস্ত্রের মাধ্যমে জানিতে পারা যায়। তবে বহূতো পূরোনো গ্রন্থ ও জ্যোতিষ শাস্ত্রর বিষারদ সকলের শিখ্যা প্রনালীর শিখ্যা মর্মে আমি এই মানব জীবনের জীবন বর্ণন, ও বর্তমান সময়ে কর্ম ও নিয়ম মাধ্যমে কিছুটা ভাগ্য পরিবর্তন করার উদ্যেশে সাধরন ভাবে কিছু উল্লেখ করিলাম।

আমরা মানুষ, তাই এই জীব জন্মের মধ্যে আমাদের মতো ইচ্ছামত চলাফেরা করা, হাসি খুশিতে থাকা, ও ইচ্ছামতে পরিবর্তন হওয়ার চেষ্টা করা অন্য কোনো জীব পারে না। কিন্তু এই জীবন যাত্রার গতি পথে আমরা সতর্ক্য হয়ে না চলিলে বহু রকম বাধা বিঘ্ন ঘটে,কারন পথ না দেখে চলিলে পায়ে চোট লাগে, প্রদীপে তেল থাকিলেও বাতাসে নিবে যাওয়ার ভয় থাকে, মানুষের পরমায়ু থাকিতেও মৃত্যুর মুখে পতিত হয়। এ সবই নব গ্রহ দেবতার চক্র ফল। এর জন্য আমরা বিষেশ ভাবে সর্তক্য হওয়া উচিত। কারন আমাদের প্রতিটি সময়ের সাথে থাকেন নবগ্রহ দেবতা ভালো মন্দের জন্য আমাদের উপর নজর রাখেন এবং গ্রহর বিধিমতে এই মানব জীবন পরিচালনা করেন এবং আমরা তার ফল ভোগ করি। তবে গ্রহ দেবতাদের আমরা কিছু নিয়ম মাধ্যমে (প্রতিকার) সরূপ গ্রহ শান্তির ব্যবস্থা করিলে,বহুতো বাধা বিঘ্ন কাটিয়ে শান্তির মাধ্যমে জীবনে বেচে থাকা যায়। এটাই মহান জ্যোতিষ বাণী ও জ্যোতিষ শাস্ত্রে লিপিবদ্ধ আছে। এর জন্য আমরা এই মহৎ বাণী ও গ্রহর কু প্রভাবের প্রতিকার স্বরূপ নিয়ম মেনে চলিলে শান্তিতে দিন অতিবাহিত করিতে পারিব বোলে আশা করা যায়।

 “সদ্ভাবনাজয়তঃ

সদ্ভাবনার অর্থ = ভগবানের সৃষ্টি এই ব্রহ্মান্ডর সকলো জীব, মানব, দানব, জন্তু, জানোয়ার,পশু পক্ষী, বৃক্ষ আদির প্রতি হিংসা, নিন্দা, কাম, ক্রোধ, ত্যাগ করে এবং কাহাকেউ অন্যায় না করে ও কাহাকেউ মনে কষ্ট না দিয়ে ভগবানের সম্পূর্ণ প্রকৃতিকে আমার নিজের বোলে অন্তরের ভালোবাসা জাগিয়ে সুদৃষ্টিতে সমাদর বা সন্মান করাই সদ্ভাবনার পরিচয়।

সদ্ভাবনায় মানুষ সরল, সহজ, নির্মল, সৎব্যাক্তি, ধৈর্য্যশালী, সাহসী, সৎকর্মী, সদাচারী, সৎচরিত্রবান, সৎপরামর্শ কারী, অজ্ঞাত বশতঃ ভুল হলে ক্ষমা করা বা ক্ষমা চাওয়া, এই সব   সদগুন থাকা ব্যাক্তি সুদক্ষতাশীল হয়ে সুসম্পর্ণতা লাভ করেন। এবং এই ব্যাক্তিকে দূঃখ দূর্দশা হইতে  মুক্ত করে শান্তির পথে এগিয়ে চলতে  সয়ং ভগবানরক্ষা করেন। এটাই সদ্ভাবনা

সদ্ভাবনায়  গোপাল শাশ্ত্রী।

 

নিবেদন

ওহে মান্যবর, ও ভাতৃসকল এবং মাতৃগণ, ভগবান আমাদেরকে সর্বজীবের মধ্যে অতি উত্তম দূর্লভ জনম মানুষ রূপে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। তবে খুব বড় বা সবচেয়ে বড়প্রশ্ন উত্তরের জবাব এখানেই ভাবার মতো আছে।

জীবের মধ্যে আমাদের নাম দিলেন মানব জীব বা সাধারন ভাষায় মানুষ। তবে এইযে মানুষ শব্দটির অর্থ বোঝায় মনের হুসকে সংযত রাখার মতো ক্ষমতা যার আছে বা থাকবে তারাই প্রকৃত মানুষ। কিন্তু অতীতকাল হইতে অর্থাৎ মানব জীবের জন্ম সময় হইতেই ভগবান জীবের প্রতি পাপের উদ্যশে লোভ, মোহ, কাম, ক্রোধ, এই সব রিপু শক্তিকে ঊৎসাহিত করে মানুষকে পরাজয় করিয়ে পাপ করার জন্যে সৃষ্টি করিলেন এবং মানুষকে মৃত্যুমুখে পতিত করার রাস্তা প্রস্তুতি করে দিলেন। কারন মানুষের মৃত্যু নাহলে এত জীবকে কোথায় জায়গা দেবেন আর এই সৃষ্টি কিকরে পরিচালনা করিবেন। তবে হ্যাঁ কিছু হলেও পাপের ভাগীদারী হতেই হবে তানাহলে জীবের মৃত্যুর কোন রাস্তাই থাকিবেনা। মানুষের ভালো ও পাপ কাজ পরিচালনা করার জন্যে ভগবান পরম্ব্রম্যনবগ্রহ দেবতাদের কে দ্বায়িত্য দিয়েছেন এবং তিনিরা বিধিমতে মানব জীবের জীবনটা  পরিচালনা করেন।

তবে যাই হোক আমরা পৃথীবীতে জন্ম নিয়োছি, এর জন্যে আমরা সবাই যার যার মতো বহূদিন বেঁচে থাকার আশা নিয়ে ভালোঘরে থাকবো, ভালোভাবে পড়াশোনা করবো, ভালো মানুষ হব এবং ভালো পরবো ভালো খাবো ও ভালো ভদ্র সমাজে চলাফেরা করবো বোলে বেচে থাকার চেষ্টা করিতেহয় বা করি। তবে এই যে বেচে থাকা দিনগুলি কিভাবে শান্তিতে পরিনত করা যায় তার জন্যে অতিশয় হুসঅর্থাৎ জ্ঞান থাকা  অতি আবশ্যক। এবং জ্ঞানের দ্বারায় কিছু কর্ম বা প্রতিকারের জন্য বিষেশ প্রয়োজনহয়। জীবনের গ্রহ প্রতিকারের জন্যে কোন সুবিখ্যাত জ্যোতিষ শাস্ত্রীর পরামর্শ নিয়েই প্রতিকার করিবেন এই প্রতিকার মানুষের জন্যে অতি প্রয়োজন। নিশ্চয় তিনিরা আপনার ভাগ্যের কোন জটিল সমস্যা থাকিলে তার বিধি ব্যাবস্থা ও গ্রহ প্রতিকারের পরামর্শ দিয়ে আপনার জীবনটাকে বিপদমুক্ত করে  সুখী জীবনের রাস্তা দেখিয়ে দিতে পারিবেন। বা করাবেন।

আর একটা কথা এই জীবনটা যেন বিপদাগ্রস্থে না পরে তার জন্যে আমরা নিজেকে সদ্ভাবনায় সাংসারিক, সৎকর্ম, সৎধর্ম, ও সদুপদেশ বাণীমতে চলিলেই সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করিতে পারিব বোলে আশা করা যায়।    

হুস বা জ্ঞান না থাকিলে তখন ট্রেন দূর্ঘটনার মতো লাইনচ্যুত হয়ে জীবনটা বিপদাগ্রস্ত হয়ে দূঃখে জর্জরিত হয়ে পরে, এবং সেই অবস্থাতেই মৃত্যুহয়।

সৎকর্মেই জীবনে দিব্যশান্তি লাভ করিতে পারাযায়। এটাই ভগবতবাণীর মূল কথা। এই বিশ্বের সবাই ভালো হলে সবাইখুশি থাকিলে  আমরা সবাই কত আনন্দিত থাকিতাম, আমরা হিংসা নিন্দা কাম ক্রোধ ত্যাগ করে সদ্ভবনায় সবাই ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা করিলে নিশ্চয় আমরা সবাই সহজ ও সৎ পথের সন্ধান খুজে পাব আশা করিতে পারি।

Copyright Reserved © 2013